গাইবান্ধা সদর উপজেলার সাহাপাড়া ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামে লিচু দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে ইমরান নামে এক যুবককে আটক করেছে এলাকাবাসী। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী বেদম পিটুনি দিয়ে ওই যুবককে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
এ ঘটনার পর সদর থানায় ধর্ষণচেষ্টা মামলা করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা। পরে শুক্রবার রাতে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই যুবককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামে লিচুর বাগানের পাশ দিয়ে বাড়ি ফিরছিল শিশুটি। এ সময় অভিযুক্ত ইমরান শিশুটিকে লিচু দেওয়ার কথা বলে বাগানের ভেতর নিয়ে যায়।
সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে তার আর্ত-চিৎকারে লোকজন ছুটে আসে। পরে তারা ইমরানকে বেধড়ক পিটুনি দিয়ে সাহাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে আটকে রাখে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, অজ্ঞাত কারণে ওইদিন রাতেই ইমরানকে মুচলেকা দিয়ে মুক্তি দেয় পুলিশ। ব্যাপারটি জানার পর বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে তার স্বজন ও স্থানীয়রা।
এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক লেখালেখি শুরু হয়। পরে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে ইমরান সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেন শিশুটির বাবা। পরে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অভিযুক্ত ইমরান সরকারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তবে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টিকে মিথ্যা দাবি করে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, পুলিশ নজরদারিতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ইমরান। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দিলেই পুলিশ অভিযুক্তকে আদালতে পাঠাবে।
এ ঘটনার পর সদর থানায় ধর্ষণচেষ্টা মামলা করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা। পরে শুক্রবার রাতে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই যুবককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামে লিচুর বাগানের পাশ দিয়ে বাড়ি ফিরছিল শিশুটি। এ সময় অভিযুক্ত ইমরান শিশুটিকে লিচু দেওয়ার কথা বলে বাগানের ভেতর নিয়ে যায়।
সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে তার আর্ত-চিৎকারে লোকজন ছুটে আসে। পরে তারা ইমরানকে বেধড়ক পিটুনি দিয়ে সাহাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে আটকে রাখে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, অজ্ঞাত কারণে ওইদিন রাতেই ইমরানকে মুচলেকা দিয়ে মুক্তি দেয় পুলিশ। ব্যাপারটি জানার পর বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে তার স্বজন ও স্থানীয়রা।
এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক লেখালেখি শুরু হয়। পরে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে ইমরান সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেন শিশুটির বাবা। পরে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অভিযুক্ত ইমরান সরকারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তবে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টিকে মিথ্যা দাবি করে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, পুলিশ নজরদারিতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ইমরান। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দিলেই পুলিশ অভিযুক্তকে আদালতে পাঠাবে।
অনলাইন ডেস্ক